Most people in Bangladesh check the wrong নিসাব. They hear “সাড়ে সাত ভরি সোনা” and assume that if they own less than that, no যাকাত is due. For a lot of households that conclusion is simply wrong, and it costs them a missed ফরজ every single year.
Here is the part that gets skipped: the সাড়ে সাত ভরি (7.5 vori) gold threshold only applies when gold is the only zakatable thing you own. The moment you add cash, a DPS, some রূপা, or business stock to that gold, a different and much lower threshold takes over. We will show you exactly where that line sits at today’s বাজুস rate, and the calculator below does the arithmetic for you in real time.
সোনা, রূপা, নগদ টাকা ও সম্পদের উপর আপনার যাকাত (২.৫%) হিসাব করুন। দাম সরাসরি বাজুস (BAJUS) রেট থেকে নেওয়া।
যে ক্যারেটের সোনা আছে তার পরিমাণ লিখুন। দাম বাজুস রেটে ধরা হবে।
এই ফলাফল একটি প্রাথমিক হিসাব। যাকাত ফরজ হওয়ার জন্য নিসাব পরিমাণ সম্পদ পূর্ণ এক চান্দ্রবছর (হিজরি, ৩৫৪ দিন) মালিকানায় থাকতে হবে। ব্যবহৃত গয়না, যৌথ মালিকানা বা জটিল ক্ষেত্রে নিজ মাযহাব অনুযায়ী আলেমের পরামর্শ নিন। সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও বাজুস (BAJUS) রেট।
আপনার আজকের রেট দরকার হলে দেখে নিন আজকের সোনার দাম বা পুরো হিসাবের জন্য গোল্ড ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন।
যাকাত ফরজ হওয়ার সীমাকে বলা হয় নিসাব। সোনা-রূপার জন্য এই সীমা ১,৪০০ বছর ধরে একই, ওজনে বদলায় না:
এই দুটো সংখ্যা Bangla Wikipedia-তে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের বরাতে লেখা আছে, এবং দেশের প্রায় সব মুফতি একই কথা বলেন। ওজন বদলায় না, কিন্তু টাকার অঙ্কে নিসাবের মান প্রতিদিন বদলায়, কারণ সোনা-রূপার দাম বদলায়।
নিয়মটা এই রকম। যদি আপনার কাছে শুধু সোনা থাকে, অন্য কোনো যাকাতযোগ্য সম্পদ না থাকে, তাহলে সোনা ৭.৫ ভরি বা তার বেশি হলেই কেবল যাকাত ফরজ। এর কম হলে নয়, এমনকি সেই সোনার দাম রূপার নিসাবের চেয়ে বেশি হলেও নয়। বাংলাদেশের ফতোয়া প্রতিষ্ঠান আল-কাউসার এই পয়েন্টটি স্পষ্ট করে দিয়েছে: চার ভরি সোনা থাকলে এবং সাথে আর কিছু না থাকলে যাকাত আবশ্যক নয়।
কিন্তু সোনার সাথে যেই মুহূর্তে নগদ টাকা, রূপা বা ব্যবসায়িক পণ্য যোগ হয়, তখন সব মিলিয়ে দেখতে হয় সেটা ৫২.৫ ভরি রূপার মূল্য ছুঁয়েছে কিনা। ছুঁয়ে থাকলে পুরো সম্পদের উপর যাকাত। ২ মার্চ ২০২৬ তারিখে জাগো নিউজ এই হিসাবটাই উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছে: ৫ ভরি সোনা আর দেড় লাখ টাকা একসাথে থাকলে দুটো যোগ করেই নিসাব ধরতে হবে।
কেন রূপার নিম্ন সীমা? শরিয়তের মূলনীতি হলো যাকাত-ওয়াকফের ক্ষেত্রে গরিবের জন্য যেটি বেশি উপকারী সেটিই গ্রহণযোগ্য। রূপার নিসাব নিচে, তাই বেশি মানুষ যাকাত আদায় করেন, বেশি টাকা গরিবের কাছে পৌঁছায়। এই কারণেই মিশ্র সম্পদের ক্ষেত্রে আমরা ক্যালকুলেটরে ডিফল্ট হিসেবে রূপার নিসাব রেখেছি, আর সোনার নিসাবে যাওয়ার অপশনও দিয়েছি।
ওজন স্থির, কিন্তু টাকার অঙ্ক বাজুস রেটের সাথে নড়ে। আজকের তারিখ অনুযায়ী বাজুস নির্ধারিত দরে ২২ ক্যারেট সোনা ছিল প্রতি ভরি ৳২২৩,০৭৪, ২১ ক্যারেট ৳২১৩,০৪৩, আর সনাতন সোনা ৳১৪৯,৪৭৪।
Original data — GoldPriceBD.bd : এই দরে দুই নিসাবের ব্যবধান চোখে পড়ার মতো:
| নিসাব | ওজন | আনুমানিক টাকার মান |
|---|---|---|
| সোনার নিসাব | ৭.৫ ভরি | প্রায় ৳১৭–১৯ লাখ (২২K বাজার দর থেকে ২৪K) |
| রূপার নিসাব | ৫২.৫ ভরি | প্রায় ৳১.৩–১.৬ লাখ (বাজুস রূপার দরে) |
এই দুই সংখ্যার মাঝখানে ১৬ লাখ টাকার বেশি ফাঁক। মানে, যার কাছে ৪ ভরি সোনা আর কিছু নগদ আছে, সে সোনার নিসাবের ধারেকাছেও নেই, কিন্তু রূপার নিসাব সে অনায়াসে ছাড়িয়ে যায়। ঠিক এই ফাঁকেই হাজার হাজার পরিবার নিজেদের ভুল করে “যাকাতমুক্ত” ভাবে।
বিশ্ববাজারে সোনার দাম যত বাড়ছে, এই ব্যবধান তত বাড়ছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ আল জাজিরা লিখেছে যে বাড়তি সোনার দাম যাকাতকে দুইভাবে প্রভাবিত করে: এক, নিসাবের সীমা বাড়িয়ে দেয় (ফলে সোনার নিসাব ধরলে কম মানুষ যাকাতদাতা হন), দুই, যাদের সোনা আছে তাদের প্রদেয় যাকাতের অঙ্ক বাড়িয়ে দেয়। লাইভ দাম আপনার পেজেই বসানো আছে:
প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম: ২২৩,০৭৪ টাকা
প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট সোনার দাম: ২১৩,০৪৩ টাকা
প্রতি ভরি সনাতন সোনার দাম: ১৪৯,৪৭৪ টাকা
This is the one real disagreement, and we are not going to paper over it.
বাংলাদেশ মূলত হানাফি মাযহাবের দেশ। হানাফি মতে, নারীর প্রতিদিন পরা গয়নাও যাকাতযোগ্য, যদি তা নিসাব পূর্ণ করে এবং বছর পার হয়। হানাফি ফিকহ ব্যবহার আর জমা রাখার মধ্যে পার্থক্য করে না। তাই বাংলাদেশের প্রচলিত মত অনুযায়ী, আপনার বিয়ের গয়না আলমারিতে থাকুক বা গায়ে, তার উপর যাকাত আসে।
বাকি তিন সুন্নি মাযহাব ভিন্ন কথা বলে। Gold.sa-এর ফিকহ রেফারেন্স অনুযায়ী, মালিকি, শাফেয়ি ও হাম্বলি মাযহাবে নারীর ব্যবহারের গয়না নিসাব ছাড়ালেও যাকাতমুক্ত। ইমাম মালিক (রহ.)-এর বক্তব্য এই মতের ভিত্তি। অর্থাৎ একজন সৌদি বা মিশরীয় নারী যে গয়নায় যাকাত দেন না, একই গয়নায় একজন বাংলাদেশি নারীকে হানাফি মতে যাকাত দিতে হতে পারে।
আমাদের অবস্থান পরিষ্কার: বাংলাদেশে থাকলে এবং হানাফি মত অনুসরণ করলে ব্যবহৃত গয়না হিসাবে ধরুন, এটাই সতর্ক ও স্থানীয়ভাবে প্রচলিত পথ। ভিন্ন মাযহাব অনুসরণ করলে নিজ মাযহাবের নির্ভরযোগ্য আলেমের সাথে কথা বলুন। ধর্মীয় বিষয়ে আমরা মত চাপিয়ে দিই না, কিন্তু চুপ করেও থাকি না, কারণ পার্থক্যটা জানা থাকলে আপনি সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
ক্যালকুলেটর কাজটা করে দেয়, কিন্তু পেছনের হিসাবটা জানা থাকলে আপনি ফলাফলে আস্থা রাখতে পারবেন।
ধাপ ১ — সব যাকাতযোগ্য সম্পদ যোগ করুন। সোনা (ক্যারেট অনুযায়ী বাজুস দরে), রূপা, হাতে নগদ, ব্যাংক ব্যালেন্স, FDR, DPS, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, ব্যবসায়িক পণ্য, আর মানুষকে ধার দেওয়া যেই টাকা ফেরত পাবেন।
ধাপ ২ — দেনা বাদ দিন। এই বছরের পরিশোধযোগ্য ঋণ, বকেয়া বিল বিয়োগ করুন। তবে সুদ যেহেতু হারাম, সুদের অংশ বাদ দেওয়ার নিয়ম নেই। বাকিটা আপনার নিট যাকাতযোগ্য সম্পদ।
ধাপ ৩ — নিসাবের সাথে মিলান, তারপর ২.৫%। নিট সম্পদ নিসাব ছাড়ালে এবং পূর্ণ এক চান্দ্রবছর (হিজরি, ৩৫৪ দিন) আপনার মালিকানায় থাকলে, যাকাত = নিট সম্পদ × ০.০২৫।
পুরোনো বছরের সাথে তুলনা করতে গোল্ড প্রাইস হিস্ট্রি পেজ দেখে নিতে পারেন, কারণ গত রমজানের তুলনায় এবারের নিসাবের অঙ্ক অনেকটাই বদলেছে।
যাকাত হিজরি বছরের হিসাবে, যা ৩৫৪ দিন। হিজরি বছরে হার ২.৫%। কিন্তু কেউ যদি ইংরেজি ৩৬৫ দিনের সৌরবছর ধরে দেন, তাহলে ১০–১১ দিন বেশি পড়ে যায়। ২১ এপ্রিল ২০২৩-এ বাংলা ট্রিবিউন এ নিয়ে লিখেছে: সৌরবছর ধরলে সতর্কতার জন্য প্রায় ২.৫৭৭% (গোল করে ২.৬%) ধরা ভালো। আমাদের ক্যালকুলেটর স্ট্যান্ডার্ড ২.৫% ব্যবহার করে, তাই আপনি যদি ইংরেজি ক্যালেন্ডারে হিসাব করেন, ফলাফলের সাথে সামান্য বেশি দিলে নিরাপদ থাকবেন।
কুরআনে সুরা আত-তাওবার ৬০ নম্বর আয়াতে যাকাতের আটটি খাত নির্ধারিত: ফকির, মিসকিন, যাকাত আদায়ের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, যাদের অন্তর জয় করা উদ্দেশ্য, দাসমুক্তি, ঋণগ্রস্ত, আল্লাহর পথে, আর মুসাফির। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক হলো ফকির ও মিসকিন, অর্থাৎ নিসাবের নিচে থাকা অভাবী মানুষ।
একটা বাস্তব পরামর্শ: যাকাত দেওয়ার সময় প্রাপককে “এটা যাকাত” বলে জানানো জরুরি নয়, কিন্তু আপনার নিয়তে যাকাত থাকা জরুরি। আর প্রতি বছর একই হিজরি তারিখ আপনার “যাকাত বার্ষিকী” হিসেবে ঠিক করে নিন, তাহলে হাওল (এক বছর পূর্ণ হওয়া) নিয়ে আর দ্বিধা থাকবে না।
কত ভরি সোনা থাকলে যাকাত ফরজ হয়?
শুধু সোনা থাকলে ৭.৫ ভরি (৮৭.৪৮ গ্রাম) বা বেশি হলে। সোনার সাথে নগদ বা রূপা থাকলে সব যোগ করে ৫২.৫ ভরি রূপার মূল্যে পৌঁছালেই যাকাত আসে, তখন সোনা ৭.৫ ভরির কম হলেও।
সোনার যাকাত কত পার্সেন্ট?
মোট যাকাতযোগ্য সম্পদের ২.৫%, অর্থাৎ চল্লিশ ভাগের এক ভাগ। শর্ত: সম্পদ পূর্ণ এক চান্দ্রবছর মালিকানায় থাকা।
বিয়ের গয়না পরে থাকলে কি যাকাত দিতে হবে?
হানাফি মাযহাব অনুযায়ী (বাংলাদেশে প্রচলিত) হ্যাঁ, পরা বা জমানো যাই হোক যাকাত আসে। মালিকি, শাফেয়ি ও হাম্বলি মাযহাবে ব্যবহারের গয়না যাকাতমুক্ত।
৭.৫ ভরির বেশি থাকলে কি শুধু অতিরিক্তটার যাকাত দেব?
না। ১৫ ভরি থাকলে পুরো ১৫ ভরিরই যাকাত দিতে হবে, শুধু ৭.৫ ভরির বেশি অংশের নয়।
নগদ টাকার উপর কীভাবে যাকাত দেব?
নগদ, ব্যাংক, FDR, DPS সব যোগ করে সেটা যদি ৫২.৫ ভরি রূপা কেনার সমান বা বেশি হয় এবং এক বছর থাকে, তাহলে ২.৫% যাকাত।
কোন নিসাব ব্যবহার করব — সোনা না রূপা?
মিশ্র সম্পদ (সোনা + নগদ + রূপা) থাকলে অধিকাংশ আলেম রূপার নিম্ন নিসাব ধরার পরামর্শ দেন, কারণ তাতে বেশি গরিব উপকৃত হন। শুধু সোনা থাকলে সোনার নিসাব প্রযোজ্য।
আন্দাজে “সাড়ে সাত ভরির কম, তাই যাকাত নেই” বলে থেমে যাবেন না। আপনার সোনা, রূপা আর নগদ একসাথে উপরের ক্যালকুলেটরে বসান, ডিফল্ট রূপার নিসাবেই হিসাব করুন, আর ফলাফলটা একটা কাগজে লিখে রাখুন প্রতি বছরের জন্য। দাম যেভাবে বাড়ছে, যিনি গত বছর নিসাবের নিচে ছিলেন তিনি এ বছর উপরে উঠে যেতে পারেন, তাই বছরে অন্তত একবার নতুন রেটে হিসাবটা মিলিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
তথ্যসূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, বাজুস (BAJUS), আল-কাউসার ফতোয়া বিভাগ, জাগো নিউজ (২ মার্চ ২০২৬), আল জাজিরা (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬), বাংলা ট্রিবিউন (২১ এপ্রিল ২০২৩), Gold.sa ফিকহ রেফারেন্স। ধর্মীয় জটিল ক্ষেত্রে নিজ মাযহাবের নির্ভরযোগ্য আলেমের পরামর্শ নিন।