আজকের সোনার দামে বড় পতন
বাংলাদেশে আজ, ২০২৬-০৩-২৫ তারিখে, সোনার দামে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। বাজুস নির্ধারিত সর্বশেষ দামে ২২ ক্যারেট, ২১ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট এবং সনাতন—সব ধরনের সোনার দামই কমেছে। আজকের আজকের সোনার দাম অনুযায়ী, ভরিতে সর্বোচ্চ ৫,৪৮২ টাকা কমেছে ২২ ক্যারেট সোনার দাম।
ক্যারেট অনুযায়ী আজকের দাম
| ক্যারেট | আজকের দাম | গতকালের দাম | পরিবর্তন |
|---|---|---|---|
| ২২ ক্যারেট | ৳২৪১,৪৪৫ | ৳২৪৬,৯২৭ | ৳৫,৪৮২ কমেছে |
| ২১ ক্যারেট | ৳২৩০,৪৮১ | ৳২৩৫,৬৭১ | ৳৫,১৯০ কমেছে |
| ১৮ ক্যারেট | ৳১৯৭,৫৩০ | ৳২০২,০২০ | ৳৪,৪৯১ কমেছে |
| সনাতন | ৳১৬০,৯০৫ | ৳১৬৪,৫২১ | ৳৩,৬১৬ কমেছে |
দামের এই পরিবর্তনের সারসংক্ষেপ
আজকের দামে ২২ ক্যারেট সোনা ভরিতে ৳২৪১,৪৪৫ হয়েছে, যা গতকাল ২০২৬-০৩-২৪ তারিখের ৳২৪৬,৯২৭ থেকে কম। ২১ ক্যারেট নেমে এসেছে ৳২৩০,৪৮১-এ, ১৮ ক্যারেট হয়েছে ৳১৯৭,৫৩০, আর সনাতন সোনা দাঁড়িয়েছে ৳১৬০,৯০৫-এ। সব ক্ষেত্রেই একই দিনে দাম কমেছে, যা বাজারে নরম প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সাম্প্রতিক দিনের প্রবণতা
সাম্প্রতিক দামের ইতিহাসেও দেখা যাচ্ছে, ২০২৬-০৩-২০ থেকে ২০২৬-০৩-২৩ পর্যন্ত ২২ ক্যারেটের দাম ছিল ৳২১,১৭০/ভরি, ২১ ক্যারেট ছিল ৳২০,২০৫/ভরি, ১৮ ক্যারেট ছিল ৳১৭,৩২০/ভরি এবং সনাতন ছিল ৳১৪,১০৫/ভরি। এরপর ২০২৬-০৩-২৪ এবং ২০২৬-০৩-২৫ তারিখে আরও কমে যায়। এই ধারাবাহিক পতন ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হতে পারে।
বাজুসের নির্ধারিত দামের তালিকা
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুস সাধারণত দেশের সোনার বাজারে আনুষ্ঠানিক মূল্য নির্ধারণ করে থাকে। তাই বাজুস আজকের সোনার দাম জানতে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা নিয়মিত হালনাগাদ দাম দেখে নেন। গয়না কেনার আগে কারিগরি মজুরি, ভ্যাট এবং দোকানভেদে অতিরিক্ত খরচও বিবেচনায় রাখা জরুরি।
আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম, ডলারের ওঠানামা, সুদের হার এবং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিভীতি—এসবই বাংলাদেশের দামে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশ্ববাজারে সোনার দরপতন হলে দেশে আমদানি-নির্ভর বাজারেও তার প্রতিফলন দেখা যায়। ফলে বৈশ্বিক পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তিকর হলে স্থানীয় বাজারেও দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য পরামর্শ
যারা গয়না কিনতে চান, তাদের জন্য আজকের দরপতন ইতিবাচক হতে পারে। তবে কেনার আগে সর্বশেষ বাজারদর যাচাই করা, বাজুস ঘোষিত দাম নিশ্চিত করা এবং দোকানভেদে অতিরিক্ত খরচ বুঝে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রেও স্বল্পমেয়াদি ওঠানামার বদলে দীর্ঘমেয়াদি বাজারপ্রবণতা নজরে রাখা উচিত।

